সর্বশেষ আপডেট
অপেক্ষা করুন...
Saturday, October 27, 2012

বাংলাদেশ একটি রক্ষনশীল দেশ, তবে বর্তমানে এদেশের যৌন  বা সেক্স কালচার অনেক ফাস্ট, অনেক কম বয়স থেকেই ছেলে মেয়েরা সব কিছু জানে, বুঝে এবং করে (বিশেষ করে শহরে)। কিন্তু সেক্সের এট্রাকটিভ দিক গুলোতেই সবার স্বাভাবিক ভাবেই আকর্ষন বেশি এবং এসব সমন্ধে জানার আগ্রহ থাকে, বেশি। তবে সেকসু্যাল সমস্যার বিষয়ে রয়ে গেছে ভয়ানক অজ্ঞতা, এবং যা জানা থাকে তার বেশিরভাগি ভুল তথ্য যা তারা ইন্টারনেট থেকে পেয়ে থাকে। দেখা যায় পশ্চিমা বিশ্বের গবেষকদের কিছু তথ্য উপাত্ত যা তাদের দেশের শীতপ্রধান অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের উপর পরিচালিত গবেষণালব্ধ ফলাফল। এবং আমাদের গ্রীষ্মপ্রধান অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের বিষয়ে তা আদৌ মিলে না।
কিন্তু দেখা যায় অজ্ঞ কিছু ছেলেরা একটা ব্লগ তৈরী করে তাদের ব্লগে ভিসিটর আনার জন্য এই সব আর্টিকেল কপি পেস্ট করেছে অহরহ। অথচ তাদের নিজেদেরই এই বিষয়ে কোনো ধারনা নেই। তাদের সাথে যোগাযোগ করার কোন অপসনও আপনি পাবেন না। তারা এভাবে লক্ষ লক্ষ মানুষকে বিভ্রান্ত করছে দিন দিন। যাই হোক এবার আসুন মূল বিষয়ে যাই। 

মেইল ইমপোটেন্স:-
ছেলেরা যেই বেপারে সবচাইতে বেশি চিন্তিত থাকে সেটা হচ্ছে ইরেকশন প্রবলেম। যদিও এই সমস্যা মধ্য বয়সিদের মাঝে বেশি দেখা দেয়, কিন্তু অনেকগুলো কারণের জন্য দেশের যুবক শ্রেনিদের মাঝেও এখন এই সমস্যাটা একটি বড় সমস্যা। অথচ কিছু দিনের প্রপার হোমিও ট্রিটমেন্ট নিলেই তা সমূলে দূর হয়ে যায়। অনেকে আবার রাস্তাঘাট থেকে হারবাল, কবিরাজি আর ভেষজ ঔষধ খেয়ে খেয়ে তাদের যৌন জীবনের বারোটা বজায়। দীঘদিন স্বপ্নদোষ এ ভোগা, অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করা, Spermatorrhea ইত্যাদি ছাড়াও কিছু কারণ রয়েছে যেমন -

ধুমপান :- যুবকদের যৌন অক্ষমতার প্রধান কারন গুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ধুমপান, বাংলাদেশের মোটামুটি সবাই ধুমপান করে যা নাকি ওয়ার্ল্ডের ওয়ান অফ দা হাইয়েস্ট। নিকোটিন সব সিগারেটেই আছে কম বেশি আর সিগারেটের অন্যান্য ক্ষতিকারক কেমিকালগুলো সব সিগারেটেই সমপর্যায়ে থাকে। যেসবের কারনে পেনিসের রক্তনালি সংকচিত হতে থাকে।

স্ট্রেস :- এটি পশ্চমা দেশ গুলোতে ইমপোটেন্সের প্রধান সমস্যা তবে  আমদের দেশেও এটি একটি উল্যেখযোগ্য কারন। বিভিন্য কারনে যদি মাথায় নানা প্রকার টেনশন থাকে তাহলে ব্রেইন সেক্সের দিকে যথেষ্ঠ এটেনশন দিতে পারেন না। আপনার যদি সেক্স করার সময় ( এনাফ ) ইরেকশন না হয়ে থাকে, কিন্তু মর্নিং ইরেকশন ঠিক থাকে তাহলে মনে করবেন আপনার ফিসিকাল পাওয়ার ঠিকই আছে কিন্তু স্ট্রেস বা অন্য কোন মানসিক সমস্যার কারনে মেন্টাল কনসেনট্রেশন টা নেই।

ড্রাগস :- ড্বাগসের মধ্যে বিশেষ করে হেরোইন এর জন্য ইমপোটেন্স হতে পারে। কোকেইন সেবনে প্রথম দিকে সাময়িক ইরেকশন হলেও পরে সেটা আর হয় না এবং উল্টো ক্ষতি করে। তাছাড়া আজকাল হার্বাল যৌন উত্তেজক ঔষধ মানুষ অহরহ খেয়ে থাকে যা একসময় পুরুষদের যৌন ক্ষমতায় অক্ষম করে তুলে। 

ওভার এক্সপেকটেশন :- এটি আসলে কোন সমস্যা না। এটি ভুল বুঝা বা জানার জন্য হয়। সেক্স কালচার বেশি অপেন হওয়াতে পর্ন দেখে বা মৈখিক মিথ্যরচনার কারনে দেশ বিদেশ সবখানেই সেক্স পাওয়ার সমন্ধে ৯০ ভাগ মানুশের একটি ভুল ইমেজ তৈরি হয়েছে। এই বিষয়ে দেখা যায় যে মানুষ মনে করে তার হয়তো সেক্স পাওয়ার কম, কিন্তু ডাক্তারের কাছে গেলে কোনকিছু ধরা পরে না (যদিও দেশের অ্যালোপ্যাথি ডাক্তাররা অযথা অনেক টেস্ট করাবে)। ডাক্তার জিগ্যেশ করার পর দেখা যায় তার সেক্সয়াল একটিভিটি নর্মালি আছে, কিন্তু পেশেন্ট সেটা নিয়ে সন্তুষ্ট নয়। পুরুষরা মনে করে যে, ডেইলি এবং লং এনাফ সেক্স করতে না পারাটাই অক্ষমতার লক্ষন। আবার অনেকে তার পেনিসের লেনথ নিয়ে খুশি নয়। এসব হচ্ছে অযথা টেনশন, পর্ন মুভিতে যা দেখানো হয় সেটা নর্মাল সেকসুয়াল একটিভিটি নয়। আপনার বউ ( সেক্সুয়াল পার্টনার) কে জিগ্গেশ করুন যে সে সেটিসফাইড নাকি, তাহলেই কিস্সা খতম। এক্সেসিভ পর্ন দেখার কারণে আবার নিজের বউ বা সেকসুয়াল পার্টনারের প্রতি এট্রাকশন কমে যায় অনেকের। 
  • ধুমপান বন্ধ করুন। বেপারটি খুবি কঠিন, এইবিষয়েআপনি সঠিক মেডিকাল গাইড পেতে পারেন আমাদের কাছ থেকে। যেকোন সমস্যায় ফোন করে সমাধান জেনে নিন। 
  • সেক্স বিষয়টাকে স্পোর্টসের মতন দেখবেন না যে এটা তে আপনাকে ফার্সট প্রাইজ আনতেই হবে। বাট হালকা / রিলেক্স ভাবে নেন দেখবেন ফার্সট প্রাইজ থেকা বেশি এনজয় পাচ্ছেন।
মেয়েদের কমন যৌন অক্ষমতার সমস্যা :-
মেয়েদের যৌন অক্ষমতার বেপারে রয়েছে আরো বেশি নলেজের অভাব। এটা যে হয় সেটাই ৯০ ভাগ মানুশ জানে কিনা সন্দেহ আছে, এমনকি স্বয়ং মেয়েরাও জানে না অনেক সময়। দেশে আমি এই পর্যন্ত কোথাও এই বেপারে কোনো আরটিকেল দেখি নাই।

ভাজাইনাল ড্রাইনেস এবং পেইনফুল ইন্টারকোর্স :- মেয়েদের বেলায় সেক্সুয়াল এরাউসালের ( যৌন উত্তেজনা) সময় লুব্রিকেশন (যোনিরস) হয় যার ফলে ভাজায়না ভিজে যায় এবং সেক্স করতে ( পেনিস ঢুকতে ) সুবিধা হয়। লুব্রিকেশনের বেশির ভাগ ফ্লুইড (রস) ভাজাইনার দেয়াল থেকে নির্গত হয় তবে ছোট একটি গ্লেন্ড ( থলি ) থেকেও কিছু বের হয়। অনেক মেয়েদের সমস্যা দেখা দেয় যে লুব্রিকেশন হয়না বা সময়মত হয়না, যার ফলে সেক্স এনজয়ের বদলে পেইনফুল হয় (পেইনফুল ইন্টারকোর্স)। বেশিরভাগ মেয়েরা সেটা তার হাসবেন্ডকে জানায় না নিজের অক্ষমতা মনে করে। কিন্তু এখানে খোলামেলা কথা না বললে সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। 

ভাজাইনাল ড্রাইনেসের সবচেযয়ে বরো কারনটা আসলে ছেলেদেরই দোষ। ইন্টারকোর্স ( ভাজিনাতে পেনিস প্রবেশে) এর পুর্বে যথেষ্ঠ স্টিমুলেশন (যৌন উত্তেজনা) না থাকলে লুব্রিকেশন সময় মত হয় না। ইন্টারকোর্সের আগে যথেষ্ঠ সময় আর এটেনশন নিয়ে সেক্সয়াল স্টিমুলশন ( কিসিং, সাকিং ) করলেই বেশিরভাগ বেলায় এর সমাধান সম্ভব। ছেলেদের যেমন পেনিসে রক্তনালিতে ফেট ( চর্বি ) জমার কারনে ইমপোটেন্সি হয় তেমনি মেয়েদের বেলাতেও তেমনি ভাজাইনাল ব্লাড ভেসেলের ( রক্তনালিতে ) চর্বি জমলে এই সমস্যা হতে পারে। তাই ব্লাড ভেসেলের চর্বি কমানোর চেস্টা করতে হবে। ফেট কম খাওয়া, বেয়াম করা, সিগারেট না খাওয়া হল এর উপায়।

আর্টফিসিয়াল লুব্রিকেশন:- এরপরও যদি এনাফ লুব্রিকশন না হয় এবং সেক্স পেইনফুল হয় তাহলে আর্টিসিয়াল লুব্রিকেশন (নকল যোনিরস) ইউজ করা যায়। দেশের মেয়েরা সাধারনত তেল বা ভেসলিন ইউজ করে থাকে কিন্তু এতে সমস্যা হচছে যে বেশি ইউজ করলে ভাজাইনার নরমাল বেকটেরিয়াল ফ্লোরা (শরীরের জন্যউপকারী বেকটেরিয়া) নষ্ট হয় এবং তাতে ঘন ঘন ভাজাইনাল ইনফেকশন হতে পারে। এর জন্য স্শেপয়াল আর্টিফিসিয়াল লুব্রিকেশন পাওয়া যায় যা নাকি ঘন পানির মতন হয়। (বাংলাদেশে আছে কিনা জানিনা)। যদি তেল বা ভেসেলিন ইউজ করা হয় তাহলে সেটা সেক্সের পরে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

বি. দ্র :- বাংলা মেডিকাল সেক্স টিপস একটি যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক বাংলা ব্লগ। কোন লেখায় "অশালীনতা প্রকাশ পেয়েছে" পাঠকদের পক্ষ থেকে এই ধরনের ধারণা বা মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়।

আধুনিক হোমিওপ্যাথি, ঢাকা
ডাক্তার হাসান; ডি. এইচ. এম. এস(BHMC)
যৌন ও স্ত্রীরোগ, লিভার, কিডনি ও পাইলসরোগ বিশেষজ্ঞ হোমিওপ্যাথ
১০৬ দক্ষিন যাত্রাবাড়ী, শহীদ ফারুক রোড, ঢাকা ১২০৪, বাংলাদেশ
ফোন :- +88 01727-382671 এবং +88 01922-437435
স্বাস্থ্য পরামর্শের জন্য যেকোন সময় নির্দিধায় এবং নিঃসংকোচে যোগাযোগ করুন।

আপনার ফেইসবুকে আমাদের আপডেট পেতে লাইক দিয়ে যুক্ত হোন